১২ বছর আগে মেয়ের প্রথম স্কুলে যাওয়ার দিন নিছক খেয়ালের বশেই ভিডিও সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন কেভিন ক্রাগস। দ্বিতীয় বছরেও নিলেন এবং বিষয়টি বাব...
১২ বছর আগে মেয়ের প্রথম স্কুলে যাওয়ার দিন নিছক
খেয়ালের বশেই ভিডিও সাক্ষাতকার নিয়েছিলেন কেভিন ক্রাগস। দ্বিতীয় বছরেও নিলেন এবং
বিষয়টি বাবা-মেয়ের কাছে এক ফানি গেম হয়ে উঠল। কেভিন কী করে জানবেন, ১২ বছর ধরে
নেওয়া সাক্ষাতকারের ভিডিও একদিন বিশ্বজোড়া ভাইরাল হবে! যুক্তরাষ্ট্রের
ভিডিওতে কেভিন মেয়েকে জিজ্ঞাসা করতেন বছরের
প্রথম দিনের ক্লাশ কেমন লাগল এবং নতুন ক্লাশ নিয়ে মেয়ে মাকেনজির পরিকল্পনা কী।
কেভিন স্থানীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাতকারে বলেছেন, ‘তখন তো ইউটিউব ছিলই না।
এমনিতেই ভিডিও করে এসেছি বাসায় নিজেরা দেখব বলে।
গত সপ্তাহেই মেকেনজি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনের সেন্ট্রাল কিটস্যাপ
হাইস্কুল থেকে বেরিয়েছে; ১২ বছর পড়ালেখা শেষে, স্নাতক সনদ নিয়ে। কেভিন ভাবলেন,
মেয়ের গ্র্যাজুয়েশন পার্টির জন্য ১২ বছরের সাক্ষাতকারগুলো মিলিয়ে একটা শর্ট ফিল্ম
এর মত করলে মন্দ হয় না। ভিভিও চালানো হলো অনুষ্ঠানে। বন্ধুরা শুধু ছোট্ট মেকেনজিকেই
এক বছর, এক বছর করে বেড়ে ওঠার ধারাবাহিকতা দেখল না, মেকেনজির একেক বয়সের চেহারা
তাদের নিজেদের অনেক স্মৃতিও মনে করিয়ে দিল। বিষয়টি কেভিন নিজেও এমন করে ভাবেনি।
বাড়ি ফিরে তিনি ভিডিওটি কেটে ছোট্ট করে ইউটিউবে আপলোড করেন।
মেকেনজি বলেছে, “আমি ভাবলাম বাবার ভিডিওটি আমার
বন্ধুদের হাততালি কুড়াবে। ইউিটিউবের সুবাদে এমন ভাইরাল হয়ে যাবে- এ আমি কল্পনাও
করিনি।‘
আসলেই তাই! ঘরে বানানো একটি ভিডিও ছাড়ার পর ৩৬
ঘণ্টায় ১০ লাখ দর্শক দেখবে- ভাবতে পারার কথাও না।
![]() |
| বাবা কেভিন ও মেয়ে মেকেনজি |
কেভিন ঘটনাটিকে বড় করে দেখতেই নারাজ। ‘আমার মনে
হয়, এখানে বড় বিষয়টি হচ্ছে একজন বাবার পাগলামি। বাবা হিসেবে মেয়ের একটি বেড়ে ওঠার
স্মৃতি এই যে ধরে রেখেছি তার উদ্দেশ্য ছিল একান্তই পরিবার। অনেক বাবাই তাই করে
থাকেন; পার্থক্য হচ্ছে, তারা সে ভিডিও ইউটিউবে ছাড়েন না।‘ সাংবাদিককে বলছিলেন
কেভিন।
গত শুক্রবার পর্যন্ত ১৭ লাখ মানুষ ভিডিওটি
দেখেছেন। ঘটনা এতদুর গড়িয়েছে দেখে কেভিন সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে আরো একটি ভিডিও
তৈরি করেছেন।
ছোট মেয়ে ম্যাডিসনকেও একইভাবে প্রতি বছর স্কুলের
প্রথম দিন একই প্রশ্ন করেন কেভিন এবং সে দৃশ্য ভিডিওতে তুলে রাখেন। আর দুই বছর পরই
ম্যাডিসনের সেন্ট্রাল কিটস্যাপ স্কুলের পড়ালেখা শেষ হবে এবং মেয়ের গ্র্যাজুয়েশন
অনুষ্ঠানে বাবা ভিডিওটির কম্পাইল দেখাবেন।
কেভিন মনে করেন, প্রত্যেক বাবার জীবনে সন্তানের
উপস্থিতি গভীরভাবে থাকা উচিত। যেহেতু সবারই জীবন নিরবচ্ছিন্ন এগিয়ে চলে- কোথাও
ক্ষণিকের জন্য বিরতি দেওয়া গেলে, সুযোগ করা গেলে পেছনে তাকানোর- একদম মন্দ হয় না।

Hi
ReplyDeleteHi. Be with the page. Its coming with more features
ReplyDelete